
আমন ধানের লাল চালের কুঁড়ো বা লালচে আবরণটি ছাঁটা হয় না বলে এই মুড়িতে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার (dietary fiber) বা আঁশ থাকে। এটি সাধারণ সাদা মুড়ির চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টিকর এবং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক। পুষ্টিগুণ ও কার্যকারিতা: প্রচুর ফাইবার: উচ্চ আঁশ যুক্ত হওয়ায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং ঘন ঘন খাওয়ার প্রবণতা কমায়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ: ফাইবার অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং খুব সহজে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: লাল চালের মুড়ির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) সাদা মুড়ির চেয়ে কম। এটি রক্তে হুট করে চিনির মাত্রা বাড়ায় না। ওজন কমানো: কম ক্যালোরি এবং উচ্চ ফাইবারের কারণে এটি ওজন কমানোর ডায়েটের জন্য একটি চমৎকার বিকালের নাস্তা। ভিটামিন ও খনিজ: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। চেনার উপায়: রং: এই মুড়ি ধবধবে সাদা হয় না, কিছুটা লালচে, বাদামি বা অফ-হোয়াইট রঙের হয়। আকার: সাধারণত দেশি আমন ধানের চাল থেকে তৈরি হওয়ায় এই মুড়ি আকারে কিছুটা ছোট এবং দেশি ধাঁচের হয়। রাসায়নিক মুক্ত: সাধারণত হাতে ভাজা লাল মুড়িতে কোনো ক্ষতিকর ইউরিয়া বা ব্লিচিং এজেন্ট ব্যবহার করা হয় না। খাওয়ার নিয়ম: বিকালে নাস্তা হিসেবে: হালকা তেল, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও চানাচুর দিয়ে মেখে খাওয়া যায়। টকদই বা দুধের সাথে: ওজন কমাতে বা পেট ঠান্ডা রাখতে টকদই ও ফলের সাথে লাল মুড়ি মিশিয়ে খেতে পারেন। Collected by Google
Amon Full Fibre Red Rice (Lal Chal)
Sodaipati Online Bazar